BARTALIPI, বার্তালিপি , Bengali News, Latest Bengali News, Bangla Khabar, Bengali News Headlines, বাংলা খবর
Wednesday, 21 Apr 2021  বুধবার, ৭ বৈশাখ ১৪২৮
Bartalipi, বার্তালিপি, Bengali News Portal, বাংলা খবর

BARTALIPI, বার্তালিপি , Bengali News, Latest Bengali News, Bangla Khabar, Bengali News Headlines, বাংলা খবর

বাংলা খবর

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বাংলা নিউজ পোর্টাল

সাজু আমাকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন : আমিনুল

Bartalipi, বার্তালিপি, সাজু আমাকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন : আমিনুল

বৃহস্পতিবার ভোটের দিন আমাকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা হয়েছিল৷ এর পেছনে ইউডিএফ প্ৰাৰ্থী করিম উদ্দিন বড়ভূঁইয়া (সাজু)-র প্ৰরোচনা ছিল বলেও অভিযোগ করেন বিধানসভার উপাধ্যক্ষ সোনাইয়ের বিজেপি প্ৰাৰ্থী আমিনুল হক লস্কর৷ কেন তাঁর দেহরক্ষীরা গুলি চালাল, এই প্রশ্নের জবাবে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, যখন কোনও রাজ্যে উপাধ্যক্ষকে এভাবে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয় তখন স্বাভাবিকভাবেই তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা বিরোধী দলের সমৰ্থককে বাধ্য হয়ে আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে গুলি চালাতে বাধ্য হয়৷ আমিনুলের আরও অভিযোগ, তাঁকে হত্যার ষড়যন্ত্ৰ এর আগেও হয়েছে৷ এবং এর পেছনে ইউডিএফ প্ৰাৰ্থী করিম উদ্দিন বড়ভূঁইয়ার যে হাত ছিল সে সম্পৰ্কে তিনি পুরোপুরি নিশ্চিত৷
উল্লেখ্য, গতকাল ধনেহরি এলপি স্কুলে ভোটের শেষলগ্নে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন, এটা ঠিক৷ তাঁর সমৰ্থকদের কাছ থেকে রিগিং হচ্ছে খবর পেয়েই তিনি বিজেপি-র প্ৰাৰ্থী হিসেবে সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন৷ তখনই উচ্ছৃঙ্খল জনতা তাঁকে ঘেরাও করে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করেন৷ ওইসময় তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা গুলি চালালে তিনজন আহত হন৷ অবশ্য স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, আমিনুল নিজেই তাঁর রিভলভার থেকে গুলি চালিয়েছিলেন৷
আজ এক সাংবাদিক সম্মেলেনে এই ঘটনার বিস্তৃত বিবরণ দিয়ে আমিনুল সাফাই দেন, আসলে তাঁর সমৰ্থকরাই তাঁকে ফোনে জানান, যে এআইইউডিএফ প্ৰাৰ্থী করিম উদ্দিন বড়ভূঁইয়া ধনেহরি এলপি স্কুলে ব্যাপকভাবে রিগিং চালাচ্ছেন এবং ইতিমধ্যেই তিনি বুথ দখল করে নিয়েছেন৷ এরপরই তিনি গণতন্ত্ৰ রক্ষার স্বাৰ্থে সেই ভোটকেন্দ্ৰে ছুটে যান৷ সেখানে গিয়ে স্থানীয় জনগণকে জিগ্যেস করেন এখানে কত শতাংশ ভোট হয়েছে, তাঁরা আমাকে বলেন, ৯০ শতাংশ মানুষ ইতিমধ্যেই ভোট দিয়ে দিয়েছেন৷ ওইসময়ই দেখা যায়, সিআরপিএফ জওয়ানরা দু’জনকে পোলিং বুথের বাইরে নিয়ে আসছেন৷ জওয়ানরা তাঁকে জানায়, যে দু’জনকে তাঁরা নিয়ে আসছে তাদের হাতে ভোটের কোনও টোকেন ছিল না৷ এই দু’জনের মধ্যে একজনকে সাবির আহমেদ বলে শনাক্ত করা হয়েছে৷ ওই সাবির আহমেদই তাঁকে প্ৰথম হেনস্তার চেষ্টা করেন৷ তখন কিন্তু বিকেল পাঁচটা বেজে গিয়েছে৷ এরপরই স্থানীয় জনগণ তাঁর নিরাপত্তারক্ষীদের দিকে ইট-পাটকেল ছুঁড়তে শুরু করেন৷ তখন নিরাপত্তারক্ষীরাই তাঁকে রক্ষা করার জন্য পোলিং বুথের ভেতরে নিয়ে যান৷
তাঁর আরও অভিযোগ, ধনেহরি আঞ্চলিক পঞ্চায়েত সদস্য নুল হুসেন বড়লস্কর তাঁকে সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্ৰে ঢুকতে বাধা দেন৷ এবং কিছু দুষ্কৃতী ভোট কেন্দ্ৰের চালে আগুনও ধরিয়ে দেয়৷ আমিনুল অবশ্য রাজ্য পুলিশের অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল এস এন সিং এবং ডিআইজি দিব্যজ্যোতি মুখাৰ্জির প্ৰশংসা করে বলেন, তাঁরা সঠিক সময়ে হস্তক্ষেপ না করলে তাঁকে জীবন্ত পুড়িয়ে ফেলা হত৷ কিছু দুষ্কৃতী যে তাঁকে বন্দি করে রেখেছিল সেটা তিনি টেলিফোনে পুলিশ কৰ্তাদের জানান৷ তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে ছুটে না এলে তাঁর জীবন বিপন্ন হত বলে তিনি মনে করেন৷