BARTALIPI, বার্তালিপি , Bengali News, Latest Bengali News, Bangla Khabar, Bengali News Headlines, বাংলা খবর
Sunday, 28 Feb 2021  রবিবার, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭
Bartalipi, বার্তালিপি, Bengali News Portal, বাংলা খবর

BARTALIPI, বার্তালিপি , Bengali News, Latest Bengali News, Bangla Khabar, Bengali News Headlines, বাংলা খবর

বাংলা খবর

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বাংলা নিউজ পোর্টাল

কাজল নিখোঁজের সময় সাংসদ ছিলেন সুস্মিতা, এখন ভোটে ফায়দা নিতে প্ৰলাপ বকছেন : আমিনুল

Bartalipi, বার্তালিপি, কাজল নিখোঁজের সময় সাংসদ ছিলেন সুস্মিতা, এখন ভোটে ফায়দা নিতে প্ৰলাপ বকছেন : আমিনুল

রাজ্যের বনমন্ত্ৰী পরিমল শুক্লবৈদ্যের গাড়ি চালক কাজল দত্তের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নিয়ে ভোটের আগে রাজনীতির বাজার গরম করার চেষ্টা করছেন প্ৰাক্তন সাংসদ সুস্মিতা দেব৷ বৃহস্পতিবার এই অভিযোগ করেন সোনাইর বিধায়ক এবং বিধানসভার উপাধ্যক্ষ আমিনুল হক লস্কর৷ বাৰ্তালিপিকে তিনি জানান, ২০১৬ সালের আগস্টে নিখোঁজ হন গাড়ি চালক কাজল দত্ত৷ তখন  শিলচরের সাংসদ ছিলেন সুস্মিতা দেবই৷ সেইসময় কিন্তু চুপ করেছিলেন প্ৰাক্তন কংগ্ৰেসি সাংসদ৷ এখন বিধানসভার ভোট এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ধলাইয়ে সাঙ্গোপাঙ্গ নিয়ে গিয়ে অভিযোগ করছেন এই গাড়ি চালক নিখোঁজের পেছনে রাজ্যের বনমন্ত্ৰীর হাত রয়েছে৷
আমিনুলের বক্তব্য, নিজে সাংসদ থাকা অবস্থায় কেন কাজল দত্তের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নিয়ে নিশ্চুপ ছিলেন সুস্মিতা? এখন রাজনৈতিক ফায়দা নিতে কাজল দত্তের বাড়িতে গিয়ে মায়াকান্না কাঁদছেন৷ এটা সাধারণ মানুষ বুঝতে পারেন৷ পরিমলবাবুর পক্ষে সাফাই দিয়ে আমিনুল জানান, মন্ত্ৰীর চালক নিখোঁজ হওয়ার পর তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে যথারীতি ধলাই থানায় মিসিং ডায়েরি করা হয়৷ এখন পুলিশ যদি কোনও ব্যবস্থা নিতে অপারগ হয় তা হলে রাজ্যের বনমন্ত্ৰীকে কি এই ব্যাপারে দায়ী করা যায়?
আমিনুল আরও বলেন, আসলে ভোটের আগে কংগ্ৰেসের সামনে কোনও ইস্যু নেই৷ কেন না সৰ্বানন্দ সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যে উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দিয়েছেন৷ এই অবস্থায় কাজল দত্তকে ইস্যু করে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছে কংগ্ৰেস৷ সবচেয়ে আশ্চৰ্যের কথা, ঘটনার পাঁচ বছর পর আচমকাই নিখোঁজ কাজল দত্তকে নিয়ে সুস্মিতার এই সরব হওয়ার পেছনে অবশ্যই রাজনৈতিক অভিসন্ধি রয়েছে৷
সোনাইয়ে আশিস হালদারের প্ৰাৰ্থী হওয়া নিয়ে আমিনুলের স্পষ্ট বক্তব্য, দল যদি তাঁর জায়গায় আশিসবাবুকে টিকিট দেয় তা হলে তিনি তাঁর ছোট ভাই আশিস হালদারকে জেতানোর জন্যই আপ্ৰাণ চেষ্টা করবেন৷ বিজেপিতে ব্যক্তির চেয়ে দল বড়৷ সুতরাং সেই দল যদি তাঁকে সরিয়ে আশিসবাবুকে প্ৰাৰ্থী করে তবে তিনি নতুন মুখের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন৷ তবে আশিস হালদার বিভিন্ন জায়গায় তাঁর বিদ্ধে অভিযোগ এনে বলেছেন, রাজ্য সরকার যেভাবে অৰ্থ বরাদ্দ করেছে সেই তুলনায় হিন্দু এলাকাগুলোয় আনুপাতিক উন্নয়ন হয়নি৷ ফলে স্বাভাবিকভাবেই বৰ্তমান বিধায়কের প্ৰতি ক্ষোভ রয়েছে সোনাইয়ে৷ মূলত এই অভিযোগকে মূলধন করে আশিস হালদার এখন বিভিন্ন হিন্দু এলাকায় জনমত সংগঠিত করে চলেছেন৷ এ অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করে উপাধ্যক্ষ বলেন, হালদারের এই অভিযোগের কোনও সত্যতা নেই৷ কেন না, গত পাঁচ বছরে সোনাইয়ে যেসব উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে তা তিনি বই আকারে লিপিবদ্ধ করে তাঁর নিৰ্বাচনী কেন্দ্ৰের বিভিন্ন জায়গায় প্ৰচার চালিয়ে যাচ্ছেন৷ এই বইয়ে চোখ রাখলেই বোঝা যাবে, উন্নয়নের ব্যাপারে তিনি হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে কোনও বৈষম্য করেননি৷ শুধু তা-ই নয়, মন্দির-মসজিদ নিৰ্মাণেও দু’হাত উজাড় করেই অৰ্থ বরাদ্দ করেছেন৷ এরপরও যদি কেউ উন্নয়নের প্ৰ েবৈষম্যের অভিযোগ তোলে তা হলে সোনাইয়ের আমজনতা তা কখনই বিশ্বাস করবেন না৷ তিনি আশাবাদী, এ বারও রাজ্যে সৰ্বানন্দের নেতৃত্বে নতুন বিজেপি সরকার হবে৷
আমিনুলের দাবি, সোনাইয়ের আমজনতা তাঁর নেতৃত্বে যে সন্তোষ ব্যক্ত করেছেন তার ভুরি ভুরি নজির রয়েছে এলাকায়৷ শুধু তা-ই নয়, সরকারি প্ৰকপ্ল রূপায়ণের ব্যাপারে কোনও দুৰ্নীতি হয়েছে, এমন অভিযোগও ফুৎকারে উড়িয়ে দেন তিনি৷ উল্লেখ্য, সোনাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করলে যে অভিযোগটি শোনা যায় তা হল সরকারি প্ৰকপ্ল রূপায়ণে তিনি তাঁর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের মধ্যেই ঠিকা বিলি করে কাজ করিয়েছেন৷ এতে সাধারণ বিজেপি কৰ্মীরাও যথেষ্ট বঞ্চিত হয়েছেন বলেই দলীয় কৰ্মীদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে৷