BARTALIPI, বার্তালিপি , Bengali News, Latest Bengali News, Bangla Khabar, Bengali News Headlines, বাংলা খবর
Friday, 26 Feb 2021  শুক্রবার, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭
Bartalipi, বার্তালিপি, Bengali News Portal, বাংলা খবর

BARTALIPI, বার্তালিপি , Bengali News, Latest Bengali News, Bangla Khabar, Bengali News Headlines, বাংলা খবর

বাংলা খবর

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বাংলা নিউজ পোর্টাল

কৌশিক-থৈবার হোৰ্ডিং যুদ্ধে উঁকি দিচ্ছে রাজদীপের মুখও

Bartalipi, বার্তালিপি, কৌশিক-থৈবার হোৰ্ডিং যুদ্ধে উঁকি দিচ্ছে রাজদীপের মুখও

ভোটের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা হয়নি কিন্তু হবু প্ৰাৰ্থীরা এখন থেকেই লক্ষীপুর শহরে হোৰ্ডিং লাগিয়ে নিজের শক্তি প্ৰদৰ্শনে মরিয়া হয়ে উঠেছেন৷ লক্ষীপুরে বিজেপি দলের প্ৰাৰ্থী হতে চান জেলা কংগ্ৰেস সভাপতি কৌশিক রাই৷ পাশাপাশি ওই দলের হয়েই টিকিট পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী পুরনো বিজেপি কৰ্মী থৈবা সিং৷
এই পরিস্থিতিতে হোৰ্ডিং প্ৰতিযোগিতায় লক্ষীপুরের ভোটাররা রীতিমতো ধন্দে পড়েছেন৷ আসলে কে টিকিট পাবেন, এটা কেউই এখনও জোর দিয়ে বলতে পারেন না৷ কৌশিকের যেমন উপরতলায় শক্ত খুঁটি রয়েছে ঠিক একইভাবে থৈবা সিংও কিন্তু একেবারে অপরিচিত নন লক্ষীপুরে৷
বিজেপি-র দুৰ্দিনে থৈবারাই পদ্মফুলের হয়ে ক্রমাগত সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়িয়ে গেছেন৷ অথচ বৰ্তমানে তাঁরা অনেকটাই ম্ৰিয়মান৷ কেন না বেনোজলের মতো বিজেপি-তে এত নতুন কৰ্মী এসে ঢুকেছেন যে পুরনোদের পক্ষে তাঁদের সঙ্গে মানসিকভাবে মানিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না৷ যদিও দলীয় সূত্ৰে বলা হয়েছে, কোনও বিধানসভা কেন্দ্ৰেরই টিকিট চূড়ান্ত হয়নি৷
ফলে প্ৰাৰ্থিত্বের জন্য যে কেউ দাবি জানাতে পারেন৷ এই সুযোগে থৈবা সিংও দলের টিকিট পাওয়ার জন্য জোর প্ৰচার চালিয়ে যাচ্ছেন৷ পাশাপাশি জেলা বিজেপি সভাপতি কৌশিক রাইও লক্ষীপুরে ঘাঁটি গেড়ে সংগঠনকে যেমন সাজিয়ে তুলেছেন ঠিক তেমনিভাবে বুথ পৰ্যায়ে বিজেপি-কে ছড়িয়ে দেওয়ার কসরত করে যাচ্ছেন৷
এখানে কংগ্ৰেস প্ৰাৰ্থীত্বের দাবিদারও বেশ কয়েকজন৷ কার ভাগ্যে শিকেয় ছিঁড়বে তা বলা মুশকিল৷ তবে লক্ষীপুরের প্ৰাক্তন কংগ্ৰেস বিধায়ক ভোটের মুখে বিজেপি-তে যোগ দেওয়ায় গোটা এলাকায়ই নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের সৃষ্টি হতে পারে৷
রাজদীপ গোয়ালাকে প্ৰদেশ নেতারা উধারবন্দ পাঠানোর শৰ্ত দিলেও ওখানকার মাঠে নেমে তিনি উপলব্ধি করছেন যে নতুন কেন্দ্ৰে লড়াইটা বেশ কঠিনই হবে৷ প্ৰদেশ নেতৃত্ব তাঁর পেছনে থাকলেও ভোট বৈতরণী উতরোনোর রাস্তা যে সহজ নয় সেটার প্ৰাথমিক অভিজ্ঞতা তাঁর হয়েছে৷ ফলে তাঁর ঘনিষ্ঠ অনেকেই চাইছেন রাজদীপ লক্ষীপুরেই প্ৰাৰ্থী হোন এবং এই প্ৰ েযদি প্ৰাক্তন বিধায়ক অটল হয়ে যান তা হলে কৌশিকের পথে তিনি যে নতুন কাঁটা হবেন সেটা প্ৰায় নিশ্চিত৷
উধারবন্দ ঘুরে এসে রাজদীপ লক্ষীপুরে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলে বলেছেন, এত সহজে তিনি লক্ষীপুর ছাড়বেন না৷ কারণ এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তাঁর বাবার দীৰ্ঘদিনের জনপ্ৰিয়তার প্ৰটিও৷ রাজদীপ নিজে যদিও কাছাড় চা-শ্ৰমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক তবু এই মুহূৰ্তে তিনি শ্ৰমিক ইউনিয়নের মধ্যে ফাটল ধ্বাতে পারবেন, এমন সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না৷
কারণ চা-শ্ৰমিক ইউনিয়নে ফাটল ধ্বানোর জন্য বিজেপি রাজদীপকে যতটা কাজের মনে করেছিল বাস্তবে তা রূপায়িত হবে বলে মনে হচ্ছে না৷ কেন না যেদিন তিনি শিলচর বিজেপি অফিসে এসেছিলেন সেদিন দুপুরে খাওয়ার জন্য তিনি চা-শ্ৰমিক ইউনিয়নের দফতরেও যান৷
কিন্তু ইউনিয়নের কৰ্মকৰ্তারা তাঁর সঙ্গে শীতল ব্যবহার করে বুঝিয়ে দিয়েছেন, সৰ্বানন্দ সরকার চা-শ্ৰমিকদের জন্য বহু প্ৰকপ্ল হাতে নিলেও এখনও শ্ৰমিক স্বাৰ্থেই তাঁরা সংগঠনে বিভাজন চাইছেন না৷ এই পরিস্থিতিতে রাজদীপ গোয়ালার রাজনৈতিক অবস্থান এখন অনেকটাই ঘর কা না ঘাট কা৷