BARTALIPI, বার্তালিপি , Bengali News, Latest Bengali News, Bangla Khabar, Bengali News Headlines, বাংলা খবর
Friday, 26 Feb 2021  শুক্রবার, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭
Bartalipi, বার্তালিপি, Bengali News Portal, বাংলা খবর

BARTALIPI, বার্তালিপি , Bengali News, Latest Bengali News, Bangla Khabar, Bengali News Headlines, বাংলা খবর

বাংলা খবর

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বাংলা নিউজ পোর্টাল

অতনু-কিশোরদের শোকজ করা হয়নি, জানালেন রাজেশ

Bartalipi, বার্তালিপি, অতনু-কিশোরদের শোকজ করা হয়নি, জানালেন রাজেশ

কংগ্ৰেসের বিক্ষুব্ধ শিবিরের পরিচিত মুখ অতনু ভট্টাচাৰ্য বা কিশোর ভট্টাচাৰ্য দল থেকে কোনও শোকজ করা হয়নি, এটা সৰ্বৈব মিথ্যা৷ আজ এভাবেই নিজের প্ৰতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন কাছাড় জেলা কংগ্ৰেসের সাধারণ সম্পাদক রাজেশ দেব৷ তবে অতনু এবং কিশোর জানিয়েছেন, তাঁরা কোনও শোকজের নোটিশ পাননি৷ শুধু তা-ই নয়, তাঁরা দলবিরোধী কাজেও লিপ্ত নন৷ সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্যই তাঁরা উদ্যোগী হয়ে কংগ্ৰেস অফিসে একটি সভার আয়োজন করতে চেয়েছিলেন৷
কোনও কোনও মহল থেকে অতনু ভট্টাচাৰ্য ও কিশোর ভট্টাচাৰ্যকে শোকজ করা হয়েছে বলে যে রটনা চলছে তার কোনও ভিত্তি নেই৷ কারণ প্ৰদেশ কংগ্ৰেস ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, ভোটের আগে দলকে চাঙ্গা করাই এখন মূল ও প্ৰধান লক্ষ৷ এ অবস্থায় নতুন করে দলে ফাটল চাইছে না প্ৰদেশ নেতৃত্ব৷
পাশাপাশি ২০২১ সালের বিধানসভা ভোট কংগ্ৰেসের সামনে এক বড় চ্যালেঞ্জ৷ কেন না যদি সাতটি আসনের মধ্যে অন্তত চারটিতে দল জয়ী হতে না পারে তা হলে আগামী ২০২৪ সালের লোকসভা নিৰ্বাচনেও দলের ফল যে মোটেও ভাল হবে না তা এখন থেকেই নিশ্চিত করে বলা যায়৷ তার চেয়েও বড় কথা, সৰ্ব ভারতীয় মহিলা কংগ্ৰেস সভানেত্ৰী সুস্মিতা দেব যেহেতু কাছাড়েরই লোক সেই হিসেবে শুধু দল নয়, তাঁর কাছেও ২১-এর ভোট বড় এক অ্যাসিড টেস্ট৷ এতে যদি উতরোতে ব্যৰ্থ হয় কংগ্ৰেস সে ক্ষেত্ৰে দলের অবস্থানই দুৰ্বল হবে৷
প্ৰাক্তন জেলা কংগ্ৰেস সভাপতি অণ দত্ত মজুমদারও এ দিন জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা মাইনাস সুস্মিতা কোনও সংগঠন গড়ার তোড়জোড় করছেন না৷ শুধু তা-ই নয়, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করেই বিজেপি-র বিদ্ধে লড়াইয়ে নামতে না পারলে বিধানসভা ভোটে কাঙিক্ষত ফল লাভ করা যাবে না৷ এটা সব কংগ্ৰেসিদেরই মাথায় রাখতে হবে৷
এখানে উল্লেখ্য, গত কিছুদিন ধরেই কংগ্ৰেসেরই কিছু লোক সংগঠন চাঙ্গা করার পক্ষে সওয়াল করে আসছেন৷ আবার বৰ্তমানে যাঁরা কংগ্ৰেসে পদাধিকারী তাঁরা এঁদের দাবিকে নস্যাৎ করে দিয়ে বলছেন, এখন সব গোষ্ঠীকে এক মঞ্চে এনে একতার পক্ষে সওয়াল করছেন তাঁরা ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে কী ভূমিকা নিয়েছিলেন, তা আগে খোলসা করে বলুন৷
আসলে কংগ্ৰেসের এই চাপানউতোরই দলকে বৰ্তমানে খাদের মুখে এনে দাঁড় করিয়েছে৷ এই অবস্থায় বিজেপি যাতে ফাঁকা মাঠে গোল করতে না পারে সে জন্য দলের তৃণমূল স্তরের কৰ্মীরা এগিয়ে এসে সংগঠন শক্তিশালী করার পক্ষে সুপারিশ করছেন৷ বৰ্তমান নেতৃত্ব বা কথিত বিক্ষুব্ধরা প্ৰদেশ কংগ্ৰেসের আহ্বানে সাড়া দেবেন কি না সেটাও রাজনৈতিক মহল পৰ্যবেক্ষণ করছে৷
গত পাঁচ বছরে বিজেপি শাসনে বরাক উপত্যকার উন্নয়নে কী কী প্ৰোজেক্ট বাস্তবায়িত হয়েছে বা যা প্ৰতিশ্ৰুতি দেওয়া হয়েছিল তা কতটা বাস্তবে রূপায়িত হয়েছে সেটা পৰ্যালোচনা করে দেখার জন্য দাবি তুলেছেন কথিত বিক্ষুব্ধরা৷ কংগ্ৰেসের মূল স্ৰোতের নেতৃত্ব ভোটের লড়াইয়ে নামার আগে এ সব বিষয়ই আগামী বিধানসভা ভোটে রাজনৈতিক ইস্যু করে বিজেপি-কে চ্যালেঞ্জ ঠুকবেন৷ এই অবস্থায় দু’পক্ষের মধ্যে যদি কৌশলগত সন্ধি না হয় তা হলে শুধু কাছাড় জেলায় নয় গোটা উপত্যকায়ই নেতিবাচক প্ৰভাব পড়তে বাধ্য৷