BARTALIPI, বার্তালিপি , Bengali News, Latest Bengali News, Bangla Khabar, Bengali News Headlines, বাংলা খবর
Wednesday, 21 Apr 2021  বুধবার, ৭ বৈশাখ ১৪২৮
Bartalipi, বার্তালিপি, Bengali News Portal, বাংলা খবর

BARTALIPI, বার্তালিপি , Bengali News, Latest Bengali News, Bangla Khabar, Bengali News Headlines, বাংলা খবর

বাংলা খবর

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বাংলা নিউজ পোর্টাল

দিবাকর-সুরজকে বুঝতে হবে কোথায় ভুল করেছে ওরা

Bartalipi, বার্তালিপি, দিবাকর-সুরজকে বুঝতে হবে কোথায় ভুল করেছে ওরা

বুধবার থেকে শুরু হয়েছে শিলচর ডি এস এ-র সুপার ডিভিশন ক্রিকেট৷ নারায়ণচন্দ্ৰ পাল স্মৃতি এই ট্ৰফিতে বৃহস্পতিবার মুখোমুখি হয় শতাব্দি প্ৰাচীন ইন্ডিয়া ক্লাব ও ওয়েসিস৷ বাৰ্তালিপির জন্য ম্যাচটি বিশ্লেষণ করলেন জেলা দলের প্ৰাক্তন ক্রিকেটার অনিরুদ্ধ লস্কর


১০ ডিসেম্বর : ইন্ডিয়া ক্লাব যে ইন্ডিয়া ক্লাবই, সেটা প্ৰমাণ করে দেখালেন রেহান মজুমদার অ্যান্ড কোং৷ কই তাদের স্কোর একসময় ছিল ৯০/৭, সেখান থেকে দিনের শেষে তারা কিনা টাৰ্গেট দিল ১৭০৷ আর, সেই টাৰ্গেট তাড়া করতে গিয়ে ১০৫ রানেই শেষ ক্লাব ওয়েসিস৷ ফলে, শিলচর ডিএসএ-র সুপার ডিভিশন ক্রিকেটে মরশুমের শুরুটা দারুণভাবে করল গতবারের রানাৰ্স বাহিনি৷


কেন ওয়েসিস হেরেছে, কোথায় গলদ রয়ে গেছে তাদের? যদি সেটা বিশ্লেষণ করতে হয়, তবে এই ম্যাচের দুটো দিক্ রয়েছে৷ একটা দিক্, ব্যাটিংয়ে ইন্ডিয়া ক্লাবের দুৰ্ধৰ্ষ কামব্যাক৷ দুই, ওয়েসিসের ঘুম পাড়ানি ব্যাটিং৷

আমার ক্রিকেট জ্ঞান একটাই কথা বলে, এই ম্যাচটা মূলত ওয়েসিস হেরেছে তাদের ভুল ক্যালকুলেশনের জন্য৷ ৪০ ওভারে ১৭০ টাৰ্গেট, অৰ্থাৎ শুরুতে আস্কিং রেট ছিল ৪.২৫৷ রঙিন ক্রিকেটে যা মোটেও কঠিন হওয়ার কথা নয়৷ কিন্তু তাদের দুই ব্যাটসম্যান সুরজ যাদব ও দিবাকর গোয়ালা হতাশ করেছে৷ বুঝতে পারছি, ওপেনার প্ৰীতম রায় ও নীরজ চুতিয়া দ্ৰুত সাজঘরে ফিরে যাওয়ায় ধরে খেলতে হয়েছে দু’জনকে৷ তাই বলে এত চাপ নিল ওরা! সুরজের স্ট্ৰাইকরেট ৪১৷ দিবাকরের ৪৯৷  আরেকটু বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দিবাকর ৪০ রান করেছে৷ ৮১ বলের এই ইনিংসে ছিল পাঁচটি বাউন্ডারি৷ মানে, ৭৬ বলে মাত্ৰ কুড়িটি ওয়ানস অ্যান্ড টুস নিয়েছে দিবাকর৷ সেই হিসেবে ভাবুন, কতটা ডট্ বল খেলেছে সে৷ সুপার ডিভিশনের মতো ওয়ানডে আসরে এতটা ডট্ খেলে কি ম্যাচ জেতা সম্ভব? সুরজও কম যায়নি৷

দু’জনের স্লো ব্যাটিংয়ের ফলে ম্যাচটি ক্লোজ হচ্ছিল ঠিক৷ কিন্তু ওয়েসিস হয়তো ভুলে গিয়েছিল, ইন্ডিয়া ক্লাবের স্পিন আক্রমণ কতটা ধারালো৷ রুদ্ৰজিৎ ডেকা, চন্দ্ৰদীপ দাস, ইক্রামুল আলি, বিকি রায় ও পারভেজ মুশারফ। এমন স্পিন অ্যাটাক যে দলের আছে, তারা যে ম্যাচ বের করে আনতে সমস্যায় পড়বে না, সেটা আর নতুন কী৷ একসময় ১২ ওভারে ৭৪ চাই, এই জায়গায় চলে এসেছিল ম্যাচ৷ কিন্তু সেখান থেকেই আস্তে আস্তে খেলা ঘুরে যায়৷

ইন্ডিয়া ক্লাবের ব্যাটিংটাও ভাল হয়নি৷ দ্রুত উইকেট হারিয়ে একসময় তারা ৯০/৭৷ সেখান থেকে লোয়ারঅৰ্ডারের রুদ্ৰজিৎ ডেকা, অভিজিৎ দে ও অমরজ্যোতি কলিতা যেভাবে দলকে টানলেন, সেটা যে কোনও ব্যাটসম্যানের জন্য শিক্ষনীয়৷ এখানে ওয়েসিসের ফিল্ডিংয়েরও একটা গুরুত্বপূৰ্ণ ভূমিকা ছিল৷ তারা অন্তত চার-পাঁচটি ক্যাচ ছাড়ল৷ দু-একটির জন্য তো চেষ্টাও করেনি৷ অবাক লেগেছে বিষয়টি৷ জেলার শীৰ্ষস্তরীয় ক্রিকেটে এমন ব্যাপার দেখতে বিরক্তি লাগছিল৷ আশা করছি, আগামী ম্যাচে এই ভুলগুলি আর করবে না ওয়েসিস৷