সমুখে অ-শান্তি পারাবার

সমুখে-অ-শান্তি-পারাবার

২০০১ সালের ৯ই সেপ্টেম্বর । আফগানিস্তানের প্রতাপশালী মুজাহিদিন নেতা, 'পন্জশিরের সি‍ংহ' আহমেদ শাহ মাসুদ আত্মঘাতী বোমারুর হাতে নিহত হলেন । এর ঠিক দুদিন পর ১১ই সেপ্টেম্বর ঘটে গেল সেই দুনিয়া কাঁপানো ঘটনা - নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এবং পেন্টাগনের উপর আল-কায়দার আত্মঘাতী বিমান হামলা । মাসুদের হত্যাকে নিউইয়র্ক হামলার সূচনা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন অনেকেই । মাসুদকে হত্যা করেছিল পাকিস্তান সৃষ্ট ও মদতপুষ্ট তালিবানরা  যাদের শ্রীমতী বেনজির ভুট্টো তাঁর সন্তানরূপে গণ্য করতেন । ৯/১১র ঘটনার পর রাষ্ট্রপতি বুশ পুরো পৃথিবীতেই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন । যেহেতু ওসামা বিন লাদেন সহ আল-কায়দা আফগানিস্তানে ঘাঁটি গেড়ে ছিল এবং তাদের প্রত্যক্ষ মদতদাতা ছিল শাসনাধিষ্ঠ তালিবান, তাই আমেরিকা সহ ন্যাটো দেশগুলো সে বছরই ৭ অক্টোবর আফগানিস্তানে তালিবান ও আল-কায়দার বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামে এবং তালিবান সরকারকে উচ্ছেদ করে । এই যুদ্ধে আমেরিকার অংশগ্রহণই ছিল সবচেয়ে বেশি  । ২০১০ সালে যে দেড় লক্ষ ন্যাটো সৈন্য আফগানিস্তানে অবস্থান করছিল, তার মধ্যে এক লক্ষ ছিল মার্কিন সেনা । আজ কুড়ি বছর পর আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সৈন্য সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে এই সেপ্টেম্বরের মধ্যেই । আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এই মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার বর্তমান সময়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলেও সেই দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে বাকি পৃথিবী অদ্ভুতভাবে উদাসীন, এমনকি  খোদ আমেরিকাও । দুদশকব্যাপী এই যুদ্ধের পর তালিবানদের বাগে আনতে পারেনি আমেরিকা  এবং বাধ্য হয়ে ২০১৮তে তালিবানদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দেয় । এতেও চিঁড়ে ভিজেনি বরঞ্চ তালিবান এতে আরও সাহস অর্জন করেছে । ঘটনা হচ্ছে এই যে তালিবানরা আবার দেশ দখল করতে যাচ্ছে যা আফগানিস্তানের জন্য এক অনিশ্চিত ও ভয়ানক ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দিচ্ছে ।


মার্কিন যুদ্ধের ইতিহাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও ইরাক যুদ্ধের পর এটি তৃতীয় ব্যয়বহুল যুদ্ধ । বিগত কুড়ি বছরে সোয়া দু লক্ষ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার  খরচ হয়েছে এই যুদ্ধে এবং আগামী চার বছর বার্ষিক ৪ বিলিয়ন ডলার সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেওয়া আছে । প্রায় পঞ্চাশ হাজার আফগান জনতা এবং সমসংখ্যক আফগান সৈন্য ও পুলিশ ছাড়াও সাড়ে তিন হাজার ন্যাটো সৈন্যের প্রাণ গেছে এই যুদ্ধে । আমেরিকা যে এতদিন শুধু যুদ্ধ করেছে তাই নয়, প্রচুর উন্নয়ন মূলক কাজও করেছে । সড়ক এবং শক্তি পরিকাঠামো যথেষ্ট উন্নত হয়েছে । ৩৫ লক্ষ মেয়ে শিশু স্কুলে যায় এবং শহরাঞ্চলে প্রায় একশ শতাংশ পানীয় জলের ব্যবস্থা হয়েছে । দেশের সৈন্যবাহিনী আগের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ।  এই উন্নয়ন কার্যে ভারতের প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার সাহায্যও রয়েছে । কিন্তু  যুদ্ধ এবং উন্নয়ন কিছুই শেষ পর্যন্ত   কাজে আসেনি কারণ ওয়াকিফহাল মহলের ধারণা, এতগুলি বছরেও আমেরিকা আফগানিস্তানকে ঠিক বুঝে উঠতে পারেনি এবং তালিবানদের প্রতি পাকিস্তানের সমর্থন । এছাড়া , এতদিনে আমেরিকার শত্রু আলকায়দা অনেকটা কোনঠাসা এবং সেদেশ দখল করা আমেরিকার লক্ষ্য ছিলনা । নিজের দেশেও চাপ বাড়ছিল ।


ভারতের এই সুদূর উঃ পূর্বাঞ্চলে বসে আফগানিস্তান সম্বন্ধে পত্রিকাপড়া, ছবিদেখা-বিদ্যা ছাড়া আর কিছুই আয়ত্ত করা সম্ভব নয় । আমরা আগেও তালিবানি শাসনের বিভৎসতা শুনেছি , তাই মানবিক কারণে আমাদের দুশ্চিন্তা অমূলক নয় ।  ভারতের সঙ্গে আফগানিস্তানের যোগাযোগ সেই দ্বিতীয় শতক থেকেই । যদি মহাভারতের কথা ধরি, তাহলে দুর্যোধন-দু‍ঃশাসনের  মামার বাড়িও এই দেশে । গান্ধারী এসেছিলেন গান্ধার থেকে যা অধুনা কান্দাহার ।  কুষান বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট কনিষ্কের রাজত্ব আফগানিস্তানের আরো পশ্চিম থেকে ভারতের তক্ষশিলা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল । কনিষ্কের পরেও আফগানিস্তানে কুষান সাম্রাজ্য আরো দু' শ বছর টিঁকে ছিল । তালিবানদের ধ্বংস করা বামিয়ান বুদ্ধ ছাড়াও অনেক বুদ্ধ মূর্তি ও স্থাপত্য এই দেশে বৌদ্ধ ধর্মের বিস্তার প্রমাণ করে ।  পরে তুর্ক-আফগানরা দশম শতাব্দী থেকে ভারতে অভিযান চালায় মূলত লুন্ঠনের উদ্দেশ্যে ।  পাঠক জানেন যে সুলতান মামুদ সতেরোবার ভারত আক্রমণ করে । মুগলরা না আসা অব্দি এই আক্রমণ ও সাম্রাজ্য বিস্তার চলতে থাকে । মুগল সাম্রাজ্য একবারই ক্ষমতাচ্যুত হয় যখন সম্রাট হুমায়ুনের অন্য অভিযানে ব্যস্ত থাকার সুযোগ নিয়ে আরেক আফগান শের শাহ সুরি (তিনি পাশতুন ছিলেন) বাংলা দখল করেন । শের শাহের রাজ্য পরিচালনা ক্ষমতা ছিল অসাধারণ । পূর্বে চট্টগ্রাম থেকে পুরো উত্তর ও পশ্চিম ভারত ছুঁয়ে কাবুল পর্যন্ত গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড তৈরি করা তাঁর অনন্য কীর্তি । বহু আফগান তখন থেকেই এ দেশে বসবাস শুরু করলেও ঊনিশ শতকে অনেক আফগান এদেশে আসে । বাংলা সহ উঃ পূর্বাঞ্চলে এদের আমরা বলি কাবুলিওয়ালা বা পাঠান । এই পরিচয়টি কাবুল শহর থেকে ধার করা হলেও এদেশে বসবাসকারী আফগানরা বেশিরভাগ পাশতুন । 


আমাদের সঙ্গে কাবুলিওয়ালাদের পরিচয় সেই ছোট থেকেই । জানতাম তারা চড়া সুদে টাকা ধার দেয়, সময়ে সুদ আদায় না হলে নানা জোর জুলুম করে । এরা এক সঙ্গে থাকে এবং কাবুলিওয়ালাদের বউ কেউ দেখেনি । আর ছিল  রবীন্দ্রনাথের  সেই অবিস্মরণীয় গল্প  । গল্পের কাবুলিওয়ালা রহমত রোজই মেওয়া, কিসমিস নিয়ে ছোট্ট মেয়ে মিনির কাছে আসে, আগডুম বাগডুম গল্প করে । দেশে তার মিনির মত একটি মেয়ে আছে, তাই এই দুই অসমবয়সীর মধ্যে এক অদ্ভূত ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠতে সময় নেয় না । ভালবাসার আতিশয্যে রহমত তার মিনিকে শ্বশুরবাড়ি যেতে নিষেধ করে " খোঁখী, তোমি সসুরবাড়ি কখুনু যাবে না !"  গল্পের শেষে রবীন্দ্রনাথ  মিনির  শ্বশুরবাড়ি যাবার দিনই জেলফেরত রহমতের সঙ্গে শেষ দেখা করিয়েছেন । 


এই গল্প প্রকাশের প্রায় একশ বছর পর শ্বশুরবাড়ি যাবার নিষেধ না মেনে এক বঙ্গললনা পাড়ি দেন আফগানিস্তান । তাঁর নাম সুস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায় । গল্পের রহমত তাঁকে সম্ভবত কিছু প্রভাবিত করেছিল, তাই পরিবারের তীব্র আপত্তি উপেক্ষা করে কলকাতায় বসবাসরত ভালোবাসার মানুষ জাম্বাজ খানকে বিয়ে করে সুস্মিতা পাড়ি দেন শ্বশুরবাড়ি আফগানিস্তানে । আড়াই বছর পর স্বামী তাকে ওখানে ফেলে রেখে কলকাতায় ফিরে এলেও আরও পাঁচটি বছর নানা অপমান, লাঞ্ছনা সহ্য করে কোনোমতে দেশে ফেরেন । নিজের  অভিজ্ঞতা , পুরুষতন্ত্র, আফগান নারীদের দুর্দশা , শিক্ষার অভাব ,  সে দেশ থেকে পালিয়ে আসা ইত্যাদি নিয়ে বই লেখেন 'কাবুলিওয়ালার বাঙালি বউ' যা নিয়ে পরে একটি সিনেমাও হয় । ওখানে থাকাকালীন সুস্মিতা তাঁর স্বল্পলব্ধ ডাক্তারিবিদ্যা কাজে লাগিয়ে বহু নারী পুরুষের চিকিৎসা করেছেন । তৎকালীন ডাক্তার বিবর্জিত দেশে তাঁর বেশ নামডাক হয়েছিল । তবে এতে তাঁর ব্যক্তিগত লাঞ্ছনা খুব একটা কমেনি । সেই বিদেশেও তিনি কিন্তু প্রচুর সাহসের পরিচয় দিয়ে একজন হিন্দু ভারতীয় নারী হিসেবে নিজের স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখেছেন  । ঠিক জানা নেই, কয়েকবছর পর কী কারণে আবার তিনি সে দেশে  ফিরে যান এবং চিকিৎসা কর্ম শুরু করেন । এমনই এক সময় তালিবানরা তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় এবং পরদিন তাঁর গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ পাওয়া যায় । 


সুস্মিতার কথায় , গ্রামাঞ্চলে নারীরা শুধুই সংসার, রান্না ও সন্তান উৎপাদনের জন্য 'ব্যবহৃত' হত । বিনা অনুমতিতে বাড়ির বাইরে রাত কাটালে সে নারীকে বেশ্যা আখ্যা দিয়ে অবর্ণনীয় অত্যাচার সইতে হত । ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে লেখাপড়ার হার ছিল নগন্য । সময়টি  আফগানিস্তানে তালিবান দখলদারির কাল ।  হত্যা, ধ্বংস, নারীনিগ্রহ, মৃত্যু রোজকার বিষয় । তাঁর বিবরণ খুব ভিত্তিহীন নয় কারণ সমসাময়িক কালের প্রেক্ষাপটে বিখ্যাত আফগান লেখক খালেদ হোসেইনির বই A Thousand Splendid Suns এও একই ধরণের বিবরণ আছে । 


মরিয়ম এক দাসীর গর্ভে হেরাত শহরবাসী বড়লোক জলিলের অবৈধ সন্তান । জন্মের পর শহরের বাইরে এক নির্জন প্রান্তরে নির্বাসিতা মেয়ে-মাকে দেখতে জলিল প্রতি সপ্তাহে আসে । মরিয়মের প্রতি তার পিতৃস্নেহ, ভালোবাসার খামতি নেই  কিন্তু পারিবারিক চাপে পঞ্চদশী মরিয়মকে প্রৌঢ়  রশিদের সঙ্গে বিয়ে দিতে বাধ্য হয় । মরিয়মের বসবাস শুরু হয় হেরাত থেকে ছ'শো কিলোমিটার দূরে কাবুল শহরে যেখানে মেয়েরা অনেক আলোকপ্রাপ্ত । পুত্রকামনায় প্রথম দিকে রশিদের মরিয়মের প্রতি ছদ্ম ভালোবাসার প্রকাশ দেখতে পাই । কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে মরিয়মের সাত সাতটি গর্ভপাতের পর পুত্রকাম রশিদ একদিন খারাপ রান্নার দোহাই দিয়ে মরিয়মকে নুড়ি পাথর চিবোতে বাধ্য করে যাতে তার দাঁত ভাঙে  । বলে নেওয়া ভাল এই কাহিনীর ঘটনাকাল আশি-নব্বুইয়ের দশক । মরিয়মের নারীজীবনে আরো লাঞ্ছনা, অত্যাচারের ঘটনা ঘটে । সোভিয়েত দখলদারি কালেও নারীদের অবস্থা মোটেই ভাল ছিল না । পরবর্তীতে তালিবানরা ক্ষমতায় এলে ইসলামের নামে মানবাধিকার বিশেষ করে নারী অধিকারের অবমাননা চরমে পৌঁছে , যা আজও ভীতির সঞ্চার করে । আমরা 'তেহরিক-ই-তালিবান-পাকিস্তান' দ্বারা  কিশোরী মালালা ইউসুফজাই-এর উপর গুলিবর্ষণের ঘটনা পরম্পরা জানি । এমনতর নারীনিগ্রহের উদাহরণ গুণে শেষ করা যাবেনা । প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মালালা কিন্তু মূলত আফগানিস্তানের ইউসুফজাই গোষ্ঠীর সন্তান । বিগত কুড়ি বছরে পশ্চিমী প্রভাবে দেশে খোলা হাওয়া বইতে শুরু করেছিল। নারীদের শিক্ষা,সম্মান, মর্যাদা সবই বৃদ্ধি পেয়েছিল , অন্তত শহরাঞ্চলে। কিন্তু,  আমেরিকা সরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চূড়ান্ত নৈরাজ্যের দিন ফিরে আসছে , যা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় রোজ প্রকাশিত হচ্ছে। 


বিগত বছরগুলোতে ভারত আফগানিস্তানের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে । তাই, আমেরিকার সৈন্য অপসারণ ভারতের স্থিতিকে দুর্বল করেছে । ইতিমধ্যেই সেদেশে আমাদের বেশ কটি দূতাবাস বন্ধ করে দিতে হয়েছে । সেদেশে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তার জন্য যত শীঘ্র সম্ভব দেশে ফিরতে বলা হয়েছে । রোজই তালিবানরা তাদের হৃত অঞ্চলগুলো পুনরুদ্ধার করছে ।তালিবানরা চিরদিন পাকিস্তানের মদতপুষ্ট, তাই এই বিপর্যয়ে ভারতের স্থিতি দুর্বল হওয়া স্বাভাবিক । এর মধ্যেই চিনের বহু বিজ্ঞাপিত অভিলাষী প্রকল্প OBOR ( ONE BELT ONE REGION) ঐ অঞ্চলের রাজনীতিকে জটিলতর করে তুলেছে ।  এর সঙ্গে আরেকটি ব্যাপার যা দৃষ্টি এড়িয়ে যাচ্ছে তা হল, আফগানিস্তানের বিপুল খনিজ সম্পদ বিশেষ করে রেয়ার আর্থ জাতীয় খনিজ পদার্থ । পেন্টাগনের হিসেবে আফগানিস্তানে অন্য খনিজ ছাড়াও শুধুমাত্র লিথিয়ামের  সর্ববৃহৎ মজুত  ভাণ্ডার থাকার সম্ভাবনা আছে । আন্তর্জাতিক রাজনীতির জটিল বিষয়ে অবোধের মত মাথা ঢোকানো অনুচিত, কিন্তু আগামী দিনগুলোতে আফগানিস্তানে মানবাধিকার বিশেষত নারী অধিকার যে ঘোরতর সঙ্কটে, তা বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় । শুধুমাত্র মানবিক দিক থেকেই এ সভ্যতার এক চরম সঙ্কট । দুঃখের বিষয়, সভ্য দেশগুলি হয় এ বিষয়ে উদাসীন নয়তো তাদের তালিবান নৈরাজ্যে খুব একটা করার কিছু নেই ।



সুদীপ্ত দেবরায়

সুদীপ্ত দেবরায়

Total 1 Posts. View Posts


About us

প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার যুগে খবরের সত্যতাটির পক্ষপাতদামুক্ত উদ্যোগ / দীক্ষা প্রয়োজন। ক্লান্তিকর সংবাদগুলি আর সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে না। অভ্যন্তরীণ খবরে বৈশ্বিক কোণ থেকে বর্ণিত করার লক্ষ্যে, "বার্তালাপি ডিজিটাল" ডিজিটাল সাংবাদিকতার মাঠে প্রবেশ করেছে। শিরোনামের মিশ্রণটি তার লক্ষ্য এবং লক্ষ্যটির স্ব-ব্যাখ্যামূলক। বৈশিষ্ট্যগুলি, নিউজফ্ল্যাশগুলি এর মাধ্যমে একটি প্ল্যাটফর্মে সমস্ত সিঙ্ক করা হয়, এটি বারাকের নেটিজেনদের একটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আভা দেয়। বার্তালাপি ডিজিটাল তাই ডিজিটাল ভারসাম্য পূরণের প্রতিশ্রুতি দেয় যা এটি ডিজিটাল বিবর্তনের যুগে একটি সংবাদ সংস্থা হিসাবে চিহ্নিত করবে




Follow Us