BARTALIPI, বার্তালিপি , Bengali News, Latest Bengali News, Bangla Khabar, Bengali News Headlines, বাংলা খবর
Sunday, 07 Mar 2021  রবিবার, ২৩ ফাল্গুন ১৪২৭
Bartalipi, বার্তালিপি, Bengali News Portal, বাংলা খবর

BARTALIPI, বার্তালিপি , Bengali News, Latest Bengali News, Bangla Khabar, Bengali News Headlines, বাংলা খবর

বাংলা খবর

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বাংলা নিউজ পোর্টাল

চাপে পড়ে মেঘালয়ে বাঙালি নির্যাতনের সত্যতা স্বীকার কনরাড সাংমার

Bartalipi, বার্তালিপি, চাপে পড়ে মেঘালয়ে বাঙালি নির্যাতনের সত্যতা স্বীকার কনরাড সাংমার

মেঘালয়ে বাঙালি হেনস্তার সত্যতা শেষ পর্যন্ত স্বীকার করলেন মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা। বিভিন্ন সংগঠনের টানা আন্দোলনের চাপে পরেই কার্যত মুখ খুলতে হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী সাংমাকে। সম্প্রতি মেঘালয়ের অ্যাসেম্বলিতে দাঁড়িয়েই রাজ্যে বাঙালি নির্যাতনের ঘটনার নিয়ে কথা বলেন কনরাড। তাঁর কথায়, ২৮ ফেব্রুয়ারি খাসি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের কর্মকর্তা ও ইছামতির জনাকয়েক বাঙালির মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়। এই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে আশপাশ এলাকায়ও। এই ঘটনার রেশ এখনও কাটেনি। বাঙালি অধ্যুষিত এলাকার বর্তমান বর্তমান পরিস্থিতি ফেব্রুয়ারির ওই অপ্রত্যাশিত ঘটনার প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী সাংমা। তিনি এও স্পষ্ট করেন ঘটনার জন্য এ পর্যন্ত ২৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চার্জশিটে নাম রয়েছে আরও ৭০ জনের।

মুখ্যমন্ত্রী সাংমা আরও জানান, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে। খাসি হিলস জেলার ইছামতি এলাকায় শিশু ও মহিলাদের হয়রানির অভিযোগও উঠেছে পৃথক ভাবে। তাই ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অব চাইল্ড রাইটস, দিল্লির তত্ত্বাবধানেও তদন্ত হয়েছে। তবে, অভিযোগের সত্যতা মেলেনি। অন্যদিকে ইছামতি সহ পার্শ্ববর্তী বাঙালি অধ্যুষিত এলাকায় অখাসি মানুষের দুর্ভোগের কারণ হিসেবে করোনা মহামারির ওপরেও অনেকটা দায় চাপিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, গত কয়েকমাস ধরে মেঘালয়ের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ইচ্ছামতি, ভোলাগঞ্জ, কালীবাড়ি সহ আশপাশের কিছু এলাকায় কুড়ি থেকে পঁচিশ হাজার বাঙালি কার্যত পণবন্দি হয়ে আছেন। খাসি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের নির্যাতনের শিকার হয়ে যাচ্ছেন তাঁরা, এমনটাই অভিযোগ। এর সত্যতা বিভিন্নভাবে প্রকাশ পেলেও, রাজ্য সরকার এনিয়ে তেমন কিছু প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেনি। ফলে অসমের নানা স্থান ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গে বাঙালি নির্যাতনের প্রতিবাদ আছড়ে পড়ে। ইদানীং পশ্চিমবঙ্গের মেঘালয় হাউসের সামনে বেশক'টি সংগঠন বিক্ষোভ প্রদর্শন করার পরই টনক নড়ে মেঘালয় সরকারের। রাজ্যে বাঙালি হয়রানির সত্যতা স্বীকার করেন মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা। পাশাপাশি সংগঠন ও রাজনৈতিক দলগুলোকে ইছামতি ইস্যুতে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য না করার অনুরোধ করেন।